1. admin@prothombangla24.com : admin_news :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বান্দরবানে পাহাড়ি সড়কে পিকআপ দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল গাড়ির মিস্ত্রির ডব্লিউএইচওর পদে নিয়োগে অভিজ্ঞতার তথ্য নিয়ে প্রশ্ন, পুতুলের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দুদকের ঢামেকে ভুয়া চিকিৎসক পরিচয়, আনসারের হাতে আটক যুবক ‘নির্বাচনী ব্যবস্থা ঠিক না করলে গুন্ডাতন্ত্রই শাসন করবে’: তাসনিম জারা এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু ১৬ নভেম্বর, বিলম্ব ফি ১০০ টাকা দেওয়ানগঞ্জে নদীভাঙনের হাহাকার, ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব শত শত পরিবার দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তুলতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ‘আলোকিত কোরআন ২০২৭’-এর ঢাকা অডিশন সম্পন্ন, পরবর্তী রাউন্ডে ৭০ প্রতিযোগী সৌদি আরবে হামলার পর রিয়াদগামী সব ফ্লাইট স্থগিত করল বিমান বাংলাদেশ আফগানিস্তান সিরিজের শুরুতেই ধাক্কা, মিরাজকে নিয়ে শঙ্কা

দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তুলতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৯ বার পাঠ করা হয়েছে

প্রথম বাংলা ২৪, ডেস্কঃ পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে সশস্ত্র বাহিনীকে আরও আধুনিক, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠায় সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে সেনাসদস্যদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ‘ওয়ান র‍্যাংক, ওয়ান পেনশন’ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রোববার সকালে নবম পদাতিক ডিভিশনের আয়োজনে সেনাবাহিনীর কয়েকটি ব্যাটালিয়ন ও রেজিমেন্টকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বা জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, উপদেষ্টা, সেনাবাহিনী প্রধান, বিদেশি কূটনীতিক এবং সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পেশাগত সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ অনুষ্ঠানে ৭ ও ৩২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ২৫ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট, ৯ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন, ৫৬ ও ৫৭ ইস্ট বেঙ্গল এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টকে (পিজিআর) জাতীয় পতাকা প্রদান করা হয়।

জাতীয় পতকাপ্রাপ্ত ইউনিটগুলোকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড কেবল একটি পতাকা নয়; এটি একটি ইউনিটের ইতিহাস, ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা, আত্মত্যাগ, পেশাদারত্ব ও দেশের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতীক। জাতীয় পতাকা অর্জনের মধ্য দিয়ে অর্পিত দায়িত্ব আরও নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালনের নতুন শপথ নিতে হয়।

আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সশস্ত্র বাহিনী গড়ার উদ্যোগ

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে জাতীয় নিরাপত্তার ধারণা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। স্থল, সমুদ্র ও আকাশের পাশাপাশি সাইবার স্পেস, মহাকাশ, ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইলেকট্রনিক যুদ্ধ এবং তথ্যভিত্তিক সক্ষমতা জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা সময়োপযোগী করে গড়ে তোলা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অস্ত্র, গোলাবারুদ ও অন্যান্য প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম দেশেই উৎপাদনের লক্ষ্যে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠায় সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী যেন প্রয়োজনের মুহূর্তে সমন্বিতভাবে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে, সে জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত প্রশিক্ষণের ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।

‘ওয়ান র‍্যাংক, ওয়ান পেনশন’ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, জাতীয় পে-স্কেলে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৩৮ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

সেনাসদস্যদের জীবনযাত্রার মান আরও উন্নত করতে ‘ওয়ান র‍্যাংক, ওয়ান পেনশন’ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি সেনাসদস্যদের আবাসন, চিকিৎসা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং অবসর-পরবর্তী সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।

মুক্তিযুদ্ধ ও সেনাবাহিনীর অবদানের কথা স্মরণ

দেশের অভ্যন্তরে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং বিদেশে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ভূমিকার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্ম। এ প্রসঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা স্মরণ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর হামলা শুরু করলে অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের তৎকালীন উপ-অধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমান বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। পরে ২৬ মার্চ সশস্ত্র প্রতিরোধের নির্দেশ দেন এবং ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যা দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে।

জিয়াউর রহমানের লেখা ‘একটি জাতির জন্ম’ নিবন্ধের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সঙ্গে সেনাবাহিনীর জন্মের ইতিহাস অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। এ কারণেই দেশপ্রেমিক জনগণ সেনাবাহিনীর সাফল্যকে বাংলাদেশের সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করে।

জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অঙ্গীকার

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষা হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করতে চায় বাংলাদেশ।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ জনবল, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশের মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনী দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

"প্রথম বাংলা ২৪ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত"