বছরের শেষ প্রান্তে এসে নজিরবিহীন উল্লম্ফনে রুপার দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক বাজারে রুপা আউন্সপ্রতি ৮০ ডলার ছাড়িয়ে যায়, একপর্যায়ে বেড়ে দাঁড়ায় ৮৪ ডলারে। পরে কিছুটা কমলেও আবার ঘুরে দাঁড়ায় দাম।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক দিনে রুপার দাম সর্বোচ্চ প্রায় ৬ শতাংশ পর্যন্ত ওঠানামা করেছে। শুরুতে দ্রুত বাড়ার পর আগের দিনের ক্লোজিং দামের নিচে নেমে যায়, তবে পরে আবার পুনরুদ্ধার হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, জল্পনাভিত্তিক বিনিয়োগ, সরবরাহ ও চাহিদার দীর্ঘস্থায়ী বৈষম্য এবং দুর্বল মার্কিন ডলার রুপার এই ঊর্ধ্বমুখী যাত্রাকে আরও গতি দিয়েছে। একই সঙ্গে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনাও নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মূল্যবান ধাতুর প্রতি আগ্রহ বাড়িয়েছে। এর ফলে স্বর্ণ ও প্লাটিনামও সম্প্রতি সর্বকালের সর্বোচ্চ দামে পৌঁছেছে।
সপ্তাহান্তে টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের এক মন্তব্য বিনিয়োগকারীদের উন্মাদনা আরও উসকে দেয়। চীনের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এক টুইটের জবাবে তিনি এক্স-এ লেখেন, এটা ভালো নয়। অনেক শিল্পপ্রক্রিয়ায় রুপা অপরিহার্য।
চীনের এসব পদক্ষেপ মূলত আগের নীতিরই ধারাবাহিকতা এবং গত ৩০ অক্টোবর দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রথম এ বিষয়ে ঘোষণা দেয়। যদিও চীন বিশ্বে রুপা উৎপাদনে শীর্ষ তিন দেশের একটি, তবে দেশটি একই সঙ্গে সবচেয়ে বড় ভোক্তা হওয়ায় বড় রপ্তানিকারক নয়।
চায়না ফিউচারস লিমিটেডের বিশ্লেষক ওয়াং ইয়ানছিং বলেন, বাজারে জল্পনামূলক আবহ খুবই শক্তিশালী। রপ্তানি কড়াকড়ি নিয়ে আলোচনার তেমন বাস্তব ভিত্তি নেই। স্পট সরবরাহ ঘাটতি নিয়ে অতিরঞ্জিত প্রচারণা চলছে।
Leave a Reply